This is default featured slide 1 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.This theme is Bloggerized by Lasantha Bandara - Premiumbloggertemplates.com.

This is default featured slide 2 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.This theme is Bloggerized by Lasantha Bandara - Premiumbloggertemplates.com.

This is default featured slide 3 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.This theme is Bloggerized by Lasantha Bandara - Premiumbloggertemplates.com.

This is default featured slide 4 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.This theme is Bloggerized by Lasantha Bandara - Premiumbloggertemplates.com.

This is default featured slide 5 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.This theme is Bloggerized by Lasantha Bandara - Premiumbloggertemplates.com.

Friday, February 13, 2026

বাংলাদেশ জাতীয় নির্বাচন ২০২৬-এ বিএনপির বিপুল বিজয়ে জনাব তারেক রহমান ও তাঁর সরকারের প্রতি আন্তরিক শুভেচ্ছা ও শুভকামনা জানিয়েছে পূর্ণজ্যোতি শিশু সদন।

বাংলাদেশ জাতীয় নির্বাচন ২০২৬-এ বিএনপির বিপুল বিজয়ে জনাব তারেক রহমান ও তাঁর সরকারের প্রতি আন্তরিক শুভেচ্ছা ও শুভকামনা জানিয়েছে পূর্ণজ্যোতি শিশু সদন।

জনাব তারেক রহমান

আজকের এই বিজয় শুধু একটি রাজনৈতিক দলের সাফল্য নয়—এটি লক্ষ কোটি মানুষের আশা, স্বপ্ন ও প্রত্যাশার প্রতিফলন। জনগণ তাদের ভোটের মাধ্যমে যে আস্থা ও দায়িত্ব আপনাদের হাতে তুলে দিয়েছেন, তা নিঃসন্দেহে একটি বড় আমানত। আমরা বিশ্বাস করি, এই আমানতের মর্যাদা রক্ষা করে আপনারা দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাবেন উন্নয়ন, শান্তি ও ন্যায়বিচারের পথে।

আমরা, পূর্ণজ্যোতি শিশু সদন, সমাজের অবহেলিত, অসহায় ও অনাথ শিশুদের নিয়ে কাজ করি। আমাদের প্রতিটি শিশুর চোখে আমরা একটি সুন্দর বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখি—যেখানে ভয় নেই, বৈষম্য নেই, আছে শুধু ভালোবাসা, সমান সুযোগ ও নিরাপদ ভবিষ্যৎ। তাই নতুন সরকারের কাছে আমাদের প্রত্যাশা—দেশের প্রতিটি শিশুর মুখে যেন হাসি ফোটে, প্রতিটি পরিবারে যেন স্বস্তি ফিরে আসে।

বিশেষ করে আমাদের প্রিয় পার্বত্য চট্টগ্রাম—এই অঞ্চলটি প্রকৃতির অপার সৌন্দর্যে ভরা, আবার বহু চ্যালেঞ্জের সাক্ষীও।  এখানে যে শান্তি ও সম্প্রীতির পরিবেশ তা যেন আরও শক্ত ভিত্তির উপর দাঁড়িয়ে থাকে—এই আমাদের আন্তরিক অনুরোধ। পাহাড়ের মানুষ, সমতলের মানুষ—সবার মাঝে পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা অটুট থাকুক।

আমরা চাই—

🌿 পার্বত্য চট্টগ্রামে শান্তি ও সম্প্রীতির ধারাবাহিকতা বজায় থাকুক।
🌿 শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও কর্মসংস্থানের সুযোগ আরও বৃদ্ধি পাক।
🌿 পাহাড়ের প্রতিটি শিশু মানসম্মত শিক্ষা ও নিরাপদ জীবন লাভ করুক।
🌿 সব সম্প্রদায়ের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য ও অধিকার সম্মানিত হোক।

শান্তি ছাড়া উন্নয়ন সম্ভব নয়। আবার উন্নয়ন ছাড়া শান্তিও দীর্ঘস্থায়ী হয় না। তাই আমরা আশা করি, নতুন সরকার পার্বত্য অঞ্চলের উন্নয়নকে আরও গতিশীল করবে—রাস্তাঘাট, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, চিকিৎসা সেবা, প্রযুক্তি ও কর্মসংস্থানের ক্ষেত্রগুলোতে বিশেষ নজর দেবে। যাতে পাহাড়ের তরুণ প্রজন্ম হতাশ না হয়ে স্বপ্ন দেখতে পারে, এগিয়ে যেতে পারে।

আজ আমাদের শিশুদের প্রশ্ন—“আমরা কি একটি নিরাপদ বাংলাদেশ পাবো?”
আমাদের উত্তর—“হ্যাঁ, আমরা বিশ্বাস করি, নতুন নেতৃত্ব আমাদের সেই বাংলাদেশ উপহার দেবে।”

জনাব তারেক রহমান ও তাঁর সরকার যদি মানুষের হৃদয়ের ভাষা বুঝে কাজ করেন, তবে এই দেশ আরও এগিয়ে যাবে। রাজনৈতিক মতপার্থক্য থাকতেই পারে, কিন্তু দেশের স্বার্থে, মানুষের কল্যাণে সবাই একসাথে কাজ করাই সবচেয়ে বড় দায়িত্ব। আমরা চাই—দেশে হিংসা নয়, বিভেদ নয়; বরং সহমর্মিতা, সহনশীলতা ও ঐক্যের চর্চা বাড়ুক।

আমরা বিশ্বাস করি, একটি সরকার তখনই সফল হয়, যখন সে দুর্বল ও প্রান্তিক মানুষের পাশে দাঁড়ায়। অনাথ শিশু, বিধবা মা, অসহায় পরিবার, পাহাড়ের দূরবর্তী গ্রাম—সবাই যেন উন্নয়নের আলো পায়। আমাদের শিশু সদনের প্রতিটি শিশু যেন রাষ্ট্রের স্নেহ ও নিরাপত্তা অনুভব করতে পারে।

আমরা আশাবাদী।
আমরা প্রার্থনাময়।
আমরা বিশ্বাস করি—একটি সুন্দর, মানবিক ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়া সম্ভব।

শুভকামনা রইল জনাব তারেক রহমান ও তাঁর সরকারের প্রতি।
শুভকামনা রইল পার্বত্য চট্টগ্রামের শান্তি, সম্প্রীতি ও ধারাবাহিক উন্নয়নের জন্য।
শুভকামনা রইল আমাদের প্রিয় বাংলাদেশের উজ্জ্বল ভবিষ্যতের জন্য।

সবার মঙ্গল হোক,
সবার মুখে হাসি ফুটুক।

 

ভদন্ত সুবর্ণ থের 

পরিচালক 

পূর্ণজ্যোতি শিশু সদন- বাইন্যাছোলা, লক্ষীছড়ি, খাগড়াছড়ি।
মানবতার আলো ছড়িয়ে দেওয়ার প্রত্যয়ে ❤️

Monday, February 9, 2026

উপাসক সেতু কুমার বড়ুয়ার নবাগত কন্যা সন্তানের আশির্বাদ কামনায় লক্ষীছড়ি পূর্ণজ্যোতি শিশু সদন (অনাথ আশ্রম) নিবাসীদের আহার দান

উপাসক সেতু কুমার বড়ুয়ার নবাগত কন্যা সন্তানের আশির্বাদ কামনায় লক্ষীছড়ি পূর্ণজ্যোতি শিশু সদন (অনাথ আশ্রম) নিবাসীদের আহার দান

উপাসক সেতু কুমার বড়ুয়া ও তার সহধর্মিনী

 
জীবনের সবচেয়ে  আনন্দের মুহূর্তেও  যিনি নিজের কথা না ভেবে অসহায় শিশুদের কথা মনে করেন, তিনি নিঃসন্দেহে একজন প্রকৃত মানবিক মানুষ। আমাদের সম্মানিত নির্বাহী কর্মকর্তা মানবিক কল্যাণমিত্র উপাসক সেতু কুমার বড়ুয়া  স্যার তাঁর নবাগত কন্যা সন্তানের আগমনের আনন্দ ভাগ করে নিয়েছেন  পূর্ণজ্যোতি শিশু সদনের শিশুদের মুখে এক বেলা নয়, দুই বেলা খাবার তুলে দিয়ে।
 
খাবার গ্রহণের পূর্বে প্রার্থনা

 
এই খাবার শুধু আহার নয়—এটি ভালোবাসা, মমতা আর মানবতার এক নীরব ভাষা। যে শিশুরা অনেক সময় আদর, নিরাপত্তা আর পরিবার থেকে বঞ্চিত, সেদিন তারা অনুভব করেছে কারও নিঃশব্দ ভালোবাসা। হয়তো তারা জানে না কার কন্যার জন্মে এই খাবার, কিন্তু তারা জানে—কেউ একজন তাদের কথা ভেবেছে।
 
আলোক পূজা

 
এমন হৃদয়বান মানুষের কাছে দায়িত্ব শুধু একটি পদ নয়, এটি মানুষের পাশে দাঁড়ানোর অঙ্গীকার। প্রাণপ্রিয় উপাসক, নবাগত কন্যার ও তাঁর পরিবারের প্রতি রইল গভীর কৃতজ্ঞতা ও সম্মান।

নবজাতক কন্যা সন্তানের জন্য রইল অফুরন্ত আর্শিবাদ—যেন তিনি বাবার মতোই মানবিক, আলোকিত ও মানুষের জন্য আশীর্বাদ হয়ে বেড়ে ওঠেন।
 
আর্শিবাদান্তে-
ভদন্ত সুবর্ণ থের, পরিচালক- পূর্ণজ্যোতি শিশু সদন, বাইন্যাছোলা, লক্ষীছড়ি, খাগড়াছড়ি।  

Saturday, February 7, 2026

সমাজে অবহেলিত, অসহায় ও বঞ্চিত অনাথ শিশুদের মুখে হাসি ও শিক্ষার আলো ফুটাতে মানবতা

সমাজে অবহেলিত, অসহায় ও বঞ্চিত অনাথ শিশুদের মুখে হাসি ও শিক্ষার আলো ফুটাতে মানবিকতার দায়িত্ব থেকে আপনিও দান করুন এবং অন্যকেও দান করতে উৎসাহিত করুন।

 


এতিম শিশুদের জীবন শুরু হয় অনেক কষ্ট, অভাব ও অনিশ্চয়তার মধ্য দিয়ে। বাবা–মায়ের স্নেহ ও নিরাপদ আশ্রয় থেকে বঞ্চিত এসব শিশুদের সঠিক পরিচর্যা, শিক্ষা ও নৈতিক মূল্যবোধে গড়ে তোলা সমাজের একটি গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব। পূর্ণজ্যোতি শিশু সদন (অনাথ আশ্রম) সেই দায়িত্ব পালন করে মানবিকতা ও ভালোবাসার মাধ্যমে।

 

পূর্ণজ্যোতি শিশু সদনে (অনাথ আশ্রম) আশ্রিত শিশুদের দৈনন্দিন জীবন পরিচালনার জন্য প্রয়োজন নিয়মিত খাদ্য, পোশাক, শিক্ষা উপকরণ, চিকিৎসা সেবা এবং নিরাপদ পরিবেশ। এসব ব্যবস্থাপনা সম্পূর্ণভাবে নির্ভর করে সমাজের দানশীল মানুষের সহযোগিতার ওপর। আপনার সামান্য দানও একটি শিশুর জীবনে বড় পরিবর্তন আনতে পারে—একবেলা খাবার, একটি বই, একটি ওষুধ কিংবা একটি নিরাপদ রাতের আশ্বাস হয়ে উঠতে পারে আমাদের সমাজের ভবিষ্যৎ আলোর প্রদীপ।

 

দান শুধু অর্থের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়; এটি ভালোবাসা, দায়িত্ববোধ ও মানবিকতার প্রকাশ। এতিম শিশুদের পাশে দাঁড়ালে তারা শিক্ষা ও নৈতিকতায় গড়ে উঠে ভবিষ্যতে সমাজের উপকারী নাগরিক হিসেবে আত্মপ্রকাশ করতে পারে। এতে শুধু একটি শিশুর নয়, পুরো সমাজের ভবিষ্যৎই আলোকিত হয়।

 

আসুন, আমরা সবাই মিলিতভাবে এতিম শিশুদের পাশে দাঁড়াই।
আপনার দান হোক তাদের হাসির কারণ,
তাদের আশার আলো,
এবং একটি সুন্দর ভবিষ্যতের ভিত্তি।

পূর্ণজ্যোতি শিশু সদনের জন্য দান করুন—মানবতার পাশে থাকুন।

 

বিস্তারিত তথ্যর জন্যঃ

প্রতিষ্ঠান পরিচালক- ভদন্ত সুবর্ণ ভিক্ষু (বৌদ্ধ সন্যাসী)

মোবাইল নং- 01610167157 

Thursday, February 5, 2026

ভদন্ত সুবর্ণ ভিক্ষু মহোদয়ের মানবতা সেবার অক্লান্ত পরিশ্রমের অবদানের গল্প

ভদন্ত সুবর্ণ ভিক্ষু মহোদয়ের মানবতা সেবার অক্লান্ত পরিশ্রমের অবদান নিয়ে কিছু কথা-

 
ভদন্ত সুবর্ণ থের

মানবিক কল্যাণমূলক কাজে নিয়োজিত সমাজসেবীরা আমাদের সমাজের সবচেয়ে মূল্যবান সম্পদ। তাদের পরিশ্রম ও দায়বদ্ধতা সমাজে আশার আলো জ্বালায়। এ ধরনের একজন আলোকবর্তিকা হলেন ভদন্ত সুবর্ণ ভিক্ষু মহোদয়, যিনি বাইন্যাছোলা মৈত্রী বুদ্ধ বিহার-এর অধ্যক্ষ এবং পূর্ণজ্যোতি শিশু সদন অনাথ আশ্রমের রূপকার হিসেবে পরিচিত। তার নেতৃত্ব ও নিষ্ঠার ফলে অসংখ্য সুবিধাবঞ্চিত শিশু ও এতিমরা শিক্ষার আলোতে আলোকিত হচ্ছে।

 

এক মানবিক দৃষ্টান্ত

ভদন্ত সুবর্ণ ভিক্ষু মহোদয় কেবল একটি প্রতিষ্ঠান চালাননি, তিনি মানবিক কল্যাণের ক্ষেত্রেও অগ্রদূত। অনাথ, অসহায় ও সুবিধাবঞ্চিত শিক্ষার্থীদের পাশে দাঁড়িয়ে তিনি তাদের জন্য বিভিন্ন শিক্ষা ও জীবনোন্নয়নমূলক কার্যক্রম হাতে নিয়েছেন। তিনি বিশ্বাস করেন, প্রতিটি শিশুর মৌলিক অধিকার শিক্ষা ও সঠিক পরিচর্যা পাওয়ার। এ উদ্দেশ্যকে সামনে রেখে পূর্ণজ্যোতি শিশু সদন-এর আবাসিক শিক্ষার্থীদের জন্য তিনি সমানভাবে দায়িত্বশীল এবং পিতা-মাতার মতো যত্নশীল। 

 

শিক্ষার্থীদের অন্নদাতা ও সহায়তা প্রদান

শিশুদের খাদ্য, শিক্ষা সামগ্রী, পোশাক এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় সামগ্রী সরবরাহে ভদন্ত সুবর্ণ ভিক্ষুর অবদান অনস্বীকার্য। তিনি নিশ্চিত করেন যে, প্রতিটি সুবিধাবঞ্চিত শিশু প্রয়োজন অনুযায়ী খাদ্য, বস্ত্র, শিক্ষা ও চিকিৎসা সহায়তা পাওয়া দরকার। তার এই নিঃস্বার্থ মানবিক সহায়তা শুধুমাত্র শারীরিক চাহিদা পূরণেই সীমাবদ্ধ নয়; এটি শিশুদের মনোবল ও আত্মবিশ্বাসকে জাগিয়ে তোলে। এই কারণে অনাথ শিশুরা তাদের জীবনকে ইতিবাচকভাবে গড়ে তুলতে সক্ষম হচ্ছে।

 

দায়িত্ববান নেতৃত্ব ও প্রতিষ্ঠান পরিচালনা

ভদন্ত সুবর্ণ ভিক্ষু একজন দায়িত্ববান নেতৃত্বদানকারী হিসেবে পরিচিত। তিনি পূর্ণজ্যোতি শিশু সদন অনাথ আশ্রম এবং বাইন্যাছোলা মৈত্রী বুদ্ধ বিহার-এর প্রতিটি কার্যক্রমে নিজের দক্ষতা দিয়ে সঠিকভাবে পরিচালনা করে আসছেন। শিক্ষক, কর্মচারী ও স্বেচ্ছাসেবীদের সঙ্গে তিনি সবসময় সুশৃঙ্খল ও সমন্বিতভাবে কাজ করেন। তার নেতৃত্বে প্রতিষ্ঠানগুলো শুধু পরিচালিত নয়, বরং মানবিক মূল্যে সমৃদ্ধ হচ্ছে।

 

সমাজে মানবিক প্রভাব

ভদন্ত সুবর্ণ ভিক্ষুর কর্মকাণ্ড সমাজের জন্য একটি উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। তার শিক্ষা ও কল্যাণমূলক উদ্যোগ শুধুমাত্র শিশুদের জন্য নয়, বরং সমাজের সচেতন মানুষদেরকেও অনুপ্রাণিত করছে। তিনি দেখিয়েছেন, সত্যিকারের নেতৃত্ব মানে কেবল প্রশাসনিক দায়িত্ব পালন নয়; বরং মানবিক সহমর্মিতা, দয়া ও নৈতিক দৃষ্টিভঙ্গি প্রকাশ করাও সমান গুরুত্বপূর্ণ।

শিশুদের ভবিষ্যৎ গঠনে তার অবদান অনস্বীকার্য। তিনি যেভাবে অসহায়, সুবিধাবঞ্চিত ও অনাথদের পাশে দাঁড়ান, তা এককথায় প্রশংসনীয়। তার কর্মকাণ্ড সমাজে শিক্ষা ও মানবতার এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে। 

 

উপসংহার

পরিশেষে বলা যায়, ভদন্ত সুবর্ণ ভিক্ষু মহোদয় একজন নিষ্ঠাবান ও মানবিক বৌদ্ধ সন্যাসী, যিনি তার জীবনকে সমাজসেবার জন্য উৎসর্গ করেছেন। তার এই অবদান সমাজের জন্য অনুপ্রেরণা, এবং মানবতার প্রতীক হিসেবে তাকে স্মরণ করা হবে।

ভদন্ত সুবর্ণ ভিক্ষু আমাদের শিখিয়ে দিয়েছেন, সত্যিকারের নেতৃত্ব এবং মানবিক সেবা মানে হচ্ছে: দায়িত্ব, সহমর্মিতা এবং সমাজের সবচেয়ে দুর্বল অংশের জন্য নিঃস্বার্থ কাজ। তার এই দৃষ্টান্ত অনুসরণ করলে সমাজে আরও অনেক শিশু শিক্ষার আলোতে আলোকিত হবে এবং আমাদের দেশের মানবিক মূল্যবোধ সমৃদ্ধ হবে।

 

— পূর্ণজ্যোতি শিশু সদন ও বাইন্যাছোলা মৈত্রী বুদ্ধ বিহার